Wednesday, 21 December 2022
ঈশ্বর ও শুড়িখানা
গলির মুখে যে পুরনো চার্চটা ঠিক তার উল্টো দিকেই হঠাৎ করে একদিন একটা বার খোলা হলো।
চার্চে প্রতিদিন প্রার্থণার সময়, হে লর্ড, বার ধ্বংস করে দাও, বার ধ্বংস হোক বলা হতে লাগলো।
সত্যি সত্যি কয়েকদিন পর আচমকা ঝড় হলো, প্রচন্ড বজ্রপাতসহ বৃষ্টি যাকে বলে। বজ্রপাত থেকে আগুন লেগে পুরো বার পুড়ে ছারখার।
বারের মালিক যেয়ে চার্চ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা ঠুকে দিলো। তার দৃঢ় বিশ্বাস, চার্চে প্রার্থণার কারণেই আগুন লেগেছে।
আদালতে চার্চ কর্তৃপক্ষ তাদের সমস্ত দায় অস্বীকার করলো।
বিচারক পড়লেন মহা ফাঁপড়ে, এই জীবনে প্রথম তিনি এমন সমস্যায় পড়লেন, একজন “বার” মালিক, ঈশ্বর, প্রার্থণার ওপর বিশ্বাস রাখছে অথচ পুরো “চার্চের" ইশ্বর আর তার শক্তির ওপর বিশ্বাস নাই!!!!
(হোয়াটসএপ জোকের ভাষান্তর)
নারীর প্রতি সহিংসতা
প্রতি এগারো মিনিটে লিগ্যাল পার্টনার কিংবা পরিবার দ্বারা একটি মেয়ে খুন হয়, হ্যাঁ, এই পৃথিবীতেই হয়। বানিয়ে বলছি? আমি না পরিসংখ্যান বলছে
অফিস থেকে মেইল করা হয়েছে, খালি চাকরি আর ক্যারিয়ার হলেই হবে না, কমিউনিটির জন্যেও কাজ করতে হবে। কি করা দরকার আর কি করা যায় এসব নিয়ে টিম করা হলো, বিভিন্ন চ্যারিটি অর্গানাইজেশানে যোগাযোগ করার পর সিদ্ধান্ত নেয়া হলো, “শেল্টার হোম” এর ভিক্টিম মহিলাদের “স্কিল ডেভেলাপমেন্ট” প্রজেক্ট করা হবে। কম্পিউটার ট্রেনিং, ইংরেজি শেখানো, হাতে কলমে সিম্পল ট্র্যানজেকশান বুকিং ইত্যাদি। ভবিষ্যতের সহকর্মী উঠিয়ে আনতে হবে ওদের মধ্যে থেকে। আত্মবিশ্বাস ফিরিয়া আনা দরকার ভিক্টিমদের। প্রজেক্ট ফাইন্যাল করে প্রেজেন্টেশান বানাতে গিয়ে আক্কেল গুড়ুম।
নর্ডিক কান্ট্রি’স যাদেরকে পৃথিবীর বেহেস্ত বলা হয়, নারীর প্রতি সহিংসতায় তারা ইউরোপেও সর্বোচ্চ স্থান দখল করে আছে!!!!!! গরীব, ভুখা বলে অবহেলিত ইস্ট ইউরোপীয়ানরা আছে সবচেয়ে নীচে!!!! অবশ্য লেডি ডায়না আর মেগান মার্কেল জানিয়েছে, নির্যাতন রাজবাড়িতেও চলে। আলোচনার মাঝেই রুমেনিয়ান ম্যানেজার গর্বের সাথে জানালো, ইন রুমেনিয়া নো বডি ক্যান টাচ আস, নো বডি। উই কন্ট্রোল এভ্রিথিং, হাউজ, শপিং, ওয়ার্ক। জীবনের প্রায় সবটা এই দেশে খরচ হয়ে গেলো, আগে জানা থাকলে রুমেনিয়াই চলে যেতাম।
বাঙালি চরিত
বাঙালি মানসিকতা ডিফাইন করতে পুরনো দিনের বাংলা সিনেমাগুলো আপনাকে যারপর নাই সাহায্য করবে। সিনেমা (প্রোডাক্ট) বানানোর আগে ব্যবসায়ীরা (প্রোডিউসার)রা ভাল মত মার্কেট রিসার্চ করেই মার্কেটে নামে। আর এই মার্কেট হলো “আমরা বা আমাদের মানসিকতা”।
সেসময়ের দুই বাঙলার খুব কম মানুষই আছে যারা উত্তম কুমার আর সুচিত্রা সেনের সিনেমা দেখে নাই। কোন অজানা কারণে পুরো বাংলা জুড়ে ঐ দুজনকে ভাল ছেলে-মেয়ের রোল মডেল মানা হতো। অথচ বাঙালি বিয়ের আগে ছেলেমেয়ের প্রেম মানতে পারে না। কিন্তু এই দুজন বাবামায়ের অমতে প্রেম করে ব্যাড়াছ্যাড়া লাগানোর সিনেমাই করে গেছে। অদ্ভূদ।
যাহোক, উল্লেখযোগ্য কিছু জিনিস, যা আপনার সিনেমা দেখাকে সহজ করবে, গরীব ভাল ছেলে মানে, ধূতি, চটি, পাঞ্জাবী বা শার্ট। বড়লোক মানেই মুখে পাইপ, সিল্কের হাউজকোট, থ্রি পিস স্যুট আর এর মাঝামাঝি যা আছে, প্যান্ট, পোলো, শার্ট সবই কম ভাল বা নন ভাল ছেলের পোশাক যার হাজার যোগ্যতা থাকলেও সুচিত্রার সাথে বিয়ে হবে না কারণ এরা আধুনিক। এরা ইংলিশ বলে, ফরেনে যায় বা আসে, টেনিস খেলে, ক্লাবে যায় এবং কাটা চামচে খায়। বিদেশ লোভী বাঙালি এভাবেই “খারাপ মানুষ” চিহ্নিত করে। ইংলিশ মিডিয়ামে বাচ্চা পড়ানোর জন্যে জীবন দিয়ে দেয়া বাঙালির সিনেমায় তাদের আদর্শ রোলেরা ইংলিশ বলে না বলে নেতিবাচক চরিত্ররা!!!!!
আর ভাল মেয়ের চরিত্র? সবসময় শাড়ি পরবে, গরীব হলে সূতি, বড়লোক হলে নন সূতি। গৃহকর্ম সব জানবে আর খুবই ললিত সুরের বাঙলা গান গাইবে, রবীন্দ্র সংগীত হলেই পুরো জমে। প্রচুর দুঃখ জমিয়ে নীরব থাকবে আর কাঁদবে, মুখ খোলা নিষেধ। সালোয়ার কামিজ বা জিন্স মানেই হলো আধুনিক মেয়ে যারা কেক পেষ্ট্রি খায়, ববছাট চুল এবং এরাও একটু ইংলিশ ভিংলিশ বলে। টকাস টকাস কথা বলা মানেই নন কোয়ালিফাইড। এরা আর যাই হতে পারে “ভাল” মেয়ে হতেই পারে না, একজন মানবিক মানুষ হওয়ার সব গুনাবলীর সাথে জামা কাপড়ের সম্পর্ক অত্যন্ত সুগভীর।
খানিকটা দুষ্টুমিষ্টি আধুনিক স্বভাবের কারণে সুর্দশন প্রতিভাবান নায়ক সৌমিত্র যিনি আবার একটু আধটু টুইষ্টও নাচতে জানতো, উত্তমকুমার বেঁচে থাকাকালীন বাঙালির সেকেন্ড চয়েজ হয়ে রইলো। উত্তমকুমারের পরে বিশ্বজিৎ তারপর প্রসেনজিৎ এখন শুধু জিৎ ও সিনেমা করছে। তিন জেনারেশন পরে ভাল – খারাপ চরিত্রের জামাকাপড়, সংলাপ ইত্যাদির ধরন এখন পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু সমাজ আর আমাদের মানসিকতা? পশ্চিম বাঙলায় অন্তত ভাল ছেলেমেয়ে আর খারাপ ছেলেমেয়ের পোশাকের ধারনা বদলছে কিন্তু বাংলাদেশ???? কিছুদিন আগেই সিনহা হত্যা মামলায়, মামলার আসামী ওসি প্রদীপকে বাদ দিয়ে সবাই যেভাবে মামলার ভিক্টিম শিপ্রাকে নিয়ে পড়েছিলো, তাতে বলা যায়, বাংলাদেশ এখনও নিরাপদে ভিক্টোরিয়ান যুগেই পরে আছে, উত্তমকুমারের সাথে।
দ্যা রয়্যাল লাইফ - রানী জীবন - নারী জীবন
বিদ্রোহী রাজবধূ হিসেবে প্রয়াত লেডি ডায়না ইতিমধ্যে কয়েক জেনারেশানের চর্চার বিষয়। স্বামী, শাশুড়ি কেউ খুশি ছিলেন না তার ওপরে। সম্প্রতি তাতে যোগ হয়েছে মেগান মার্কেলের নাম। মেগানতো সংসার ভেঙে দেয়ার অপরাধে অপরাধী। রাজকীয় ঐতিহ্য ভেঙে স্বামী নিয়ে আলাদা সংসার পাতা ভাবা যায়! সম্প্রতি নেটফ্লিক্স এই বিতর্ক আরো উস্কে দিয়েছে।
নেদারল্যান্ডসের রাজবধূ থেকে রানী'র সিংহাসনে বসা মাক্সিমা কিন্তু সবসময় আলোচনার আড়ালেই থেকে যান তার কারণ
১। প্রিন্স আলেকজান্ডার আর মাক্সিমার প্রেম হওয়ার পর যখন তাদের বিয়ের কথা উঠলো, জানা গেলো, উনিশো সত্তর সালে আর্জেন্টিনার সামরিক সরকারের কর্মকর্তা ছিলো মাক্সিমার বাবা। সামরিক জান্তার কর্মকর্তার মেয়েকে রাজবধূ করা প্রায় অসম্ভব। অনেক আলোচনার পর ডাচ পার্লামেন্ট জানালো, ঠিকাছে, প্রেম যখন হয়েই গেছে, বিয়ে তাহলে হোক কিন্তু মাক্সিমার বাবা, মেয়ের বিয়ের মূল অনুষ্ঠানে আসতে পারবে না। কারণ সেটি শুধু রাজার একান্ত ব্যাপার নয়, ডাচ জাতিরও ব্যাপার। তবে, মূল অনুষ্ঠানের পরের রাজকীয় নৈশভোজ ও অন্যান্য ক্লোজ ডোর অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত থাকতে পারবেন। এই শর্ত মেনে নিয়েই মাক্সিমা বিয়ে করেছেন। ইগিলি পিগিলি দেশের হেন কোন রাষ্ট্রদূত নেই যারা বিয়ের অনুষ্ঠানে যাননি, সারা পৃথিবী থেকে নানা দেশের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, গায়ক, নায়ক সব উড়ে এসেছে বিয়ের দাওয়াতে কিন্তু মেয়ের বাবা ছিলেন, বাড়ির বাইরে।
২। আজ অব্ধি ডাচ দেশের কোন রাজকীয় অনুষ্ঠানে মাক্সিমার বাবা অংশগ্রহণ করেন নি। মেয়ে জামাইয়ের জন্মদিনে পুরো নেদারল্যান্ডস ছুটি থাকে কিন্তু জামাইয়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে শ্বশুর নেই। এমনকি নিজের কন্যা যেদিন নেদারল্যান্ডসের রানী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সেই অনুষ্ঠানেও তাঁর বাবা ছিলেন না।
৩। নেদারল্যান্ডসের রাজবধূ হওয়ার জন্যে মাক্সিমাকে বিভিন্ন পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে লাগাতার যেতে হয়েছে। এক একটি পরীক্ষায় তিনি কৃতকার্য হতেন আর রেডিও টিভি সেটি ফলাও করে প্রচার করতো, তিনি রাজবধূ হওয়ার জন্যে আর এক ধাপ আগালেন। প্রিন্স আলেকজান্ডারকে আর্জেন্টিনার জামাই হওয়ার জন্যে কোন পরীক্ষা দিতে হয়েছিলো কিনা জানা নেই। কিন্তু মাক্সিমাকে, পোশাক, খাওয়া, ভাষা সব কিছুতেই নতুন করে অভ্যস্ত হতে হয়েছে।
৪। বিয়ের আগে তাকে মেডিক্যাল চেকাপের মধ্যে দিয়েও যেতে হয়েছে। রাজবাড়ির মেডিক্যাল টিম তাকে পরীক্ষা করে দেখেছে, সন্তান ধারনে তিনি সক্ষম কিনা, সেটি পজিটিভ হবার পরই রাজবাড়িতে তাঁর বিয়ের কথা পাকা হয়। রেডিও টিভিতে সেই নিউজও প্রচার হয়েছিলো।
৫। বিয়ের প্রায় সাথে সাথে তাকে গর্ভধারণ করতে হয় এবং আমাদের ক্রাউন প্রিন্সেস এমেলিয়ার জন্ম হয়।
ঠাকুরবাড়ির ভবতারিনী থেকে মৃনালীনি হয়ে ওঠার গল্পের সাথে এই গল্পটার কিংবা বাস্তবতার পার্থক্য কোথায়?
পুড়বে মেয়ে উড়বে ছাই,
তবেই মেয়ের গুণ গাই।
Sunday, 24 July 2022
"বিয়ের প্রলোভন”
আপাদেরকে বলছি,
“প্রেম” যেমন মানব জীবনের একটি শ্বাশত ব্যাপার, “ব্রেকাপ”ও তাই। প্রেম হয়, প্রেম ভাঙে। মানুষের মন বদলায়, পরিস্থিতি বদলায়, পেশা বদলায় কত কি। “পাশে থাকার শুধু একটি কারণ থাকে ভালবাসা আর ছেড়ে যাওয়ার হাজার কারণ থাকে কিন্তু কারণ আসলে একটাই অ-ভালবাসা।
এই ব্যাপারটি শুধু বাঙালি সমাজে ঘটে না। পৃথিবীর এমন কোন দেশ নেই যেখানে নর-নারী এই প্রসেসের মধ্যে দিয়ে যায় না। প্রেম আসলে যেমন উত্তাল জোয়ারে ভাসে, ব্রেকাপে তেমন ডিপ্রেশানে ভোগে, নিদ্রাহীন রাত, অশ্রু জলে ভাসা, অদম্য রাগ আর ঘৃণা। আজ পর্যন্ত পৃথিবীর কোন রাষ্ট্র বা আদালত প্রেমে প্রতারণার দায়ে একজন মানুষকে একজন মানুষের সাথে থাকতে বাধ্য করতে পারেনি, শাস্তিও দিতে পারেনি। লিভ টুগেদার কিংবা বিয়েও ভেঙে যায়, কাউকে কারো ইচ্ছের বিরুদ্ধে থাকার পারমিশান আদালত দেয় না। আদালত শুধু অর্থনৈতিক দিকটার সুরাহা করে দেয়। বাচ্চা থাকলে সাধারণতঃ দায় এড়ানো পুরুষদের, বাচ্চার দায়িত্ব নিতে আদালত নির্দেশ দেয়, কেউ যেনো কারো ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয় ব্যস এটুকুই।
“বিয়ের প্রলোভন” দেখিয়ে কথাটা চরম আপত্তিকর। “প্রলোভন” দেখানো যদি অপরাধ হয় তাহলে “প্রলোভিত” হওয়াও অপরাধ নয় কেন। আর চরম ডিসরেসপেক্টফুল শব্দতো বটেই। একজন কেউ আপনার থেকে বেশি বুদ্ধিমান, আপনার বেক্কলামির সুযোগ নিয়ে আপনাকে ধোঁকা দিছে, এটা জনে জনে বলে বেড়ানো কতটা মানের? প্রেম থাকলে ব্রেকাপ থাকবেই, এটা মাথায় রেখেই সম্পর্কে জড়ান।
শুধু ফেসবুকে সেলিব্রেটি হলেই তো আধুনিক হওয়া যায় না, চিন্তা-চৈতন্যতেও যুক্তি আনেন, সামনের দিকে তাকান, পেছনে না।
কাপিল শার্মা শো
“কাপিল শর্মা কমেডি শো” এই মুহূর্তে আমার প্রিয় একটা অনুষ্ঠান। সময় পেলেই দেখি। অনেক সময় ব্যাক গ্রাউন্ডে লাগিয়ে কাজ করি। একটা মানুষের উইথ স্ক্রিপ্ট কিংবা উইদাউট স্ক্রিপ্ট এত উইটিনেস আর প্রত্যুৎপন্নমতিতা “কাপিল”কে না দেখলে বিশ্বাসই করা যেতো না। “আপ কি আদালত” অনুষ্ঠানে রাজাত শার্মা যখন প্রশ্ন করছে, কাপিল কাঠগড়ায় তখনও ঠিক সেরকম মুডেই কথা বলছে। অডিয়েন্সের সাথে কানেক্ট করার কৌশল তার অস্থি মজ্জায়।
এসব হাসি কৌতুকের একটা বিশাল ভাগ থাকে বডি শেমিং। অডিয়েন্স থেকে প্রশ্নোত্তর পর্বের একটা বড় অংশ থাকে প্রশ্নকর্তাকে বডি শেমিং দিয়ে নাস্তানাবুদ করা। এই শরীর নিয়ে এই কাজ কিভাবে করেন। বাড়ি যেয়ে ঠিক করে খাওয়া দাওয়া করেন। এত মোটা আপনি তারপরও আপনার পার্টনার আপনার সাথে থাকে সেটার শুকরিয়ে করেন ইত্যাদি ইত্যাদি। ন্যাশনাল টিভি থেকে বিশ্বজুড়ে এই জিনিস সম্প্রচার হচ্ছে, ভাবা যায়!!!!
কিকু সারদা বলছে, ভারতী সিং বিছানায় বসেছে তাতে গদীর তুলো বেরিয়ে গেছে।
ভিদ্যা বালানকে দেখে একজন পাকা চুলের ভদ্রলোক কবিতা পড়াতে, কাপিল অনেকক্ষণ তাকে বুড়ো বলে পঁচালো। বয়স বাড়ার অপরাধে অন্যদের সাথে ঐ ভদ্রলোকের নিজে্কেও ঐ পঁচানোতে হাসতে হলো। ঠিক কতটা বয়স হলে একজন নর একজন নারীকে দেখে কিংবা একজন নারী একজন নরকে দেখে মুগ্ধ হতে পারবে না? কবিতা পড়তে বা লিখতে কিংবা গান গাইতে পারবে না?
অজয় দেবঘন, সালমান খান, শাহরুখ খান, ইমরান হাশমী, ভিদ্যা বালান সবাই এসব জোকে হেসে গড়িয়ে পড়ে। সিদ্ধু সিং আর অর্চনা ম্যাডামের কথাতো বাদই দিলাম। আর আমরা সেন্সেবিলিটি, কমন সেন্স, কনসাশনেস, রেসপেক্ট এগুলো আশাকরি ম্যাঙ্গো পিপল থেকে!!!!!!
পারস্পারিক শ্রদ্ধা, অন্যের ব্যাপারে নাক না গলানো, মানুষের আকার আকৃতি, গায়ের রঙ এগুলো মজার উপকরণ নয় বেসিক এই সভ্যতাগুলো এই উপমহাদেশের মানুষগুলো কবে শিখবে।
বিলাই - শেয়াল কথন
নন ম্যাট্রিক সকল ননদ আর জা’দের সংসারে এক বউ এম এ পাশ। একান্নবর্তী সংসারের যত রকম মনোমালিন্য আছে তাতে তার বাড়তি পাওনা হলো, “বিএ-এমএ পাশতো”।
সংসারের যত রকম কুৎসিত রুপ আছে তার মধ্যে দিয়ে চান কিংবা না চান আপনাকে অনেক সময় যেতেই হয়। অসহ্য হয়ে যদি “উফ” উচ্চারণ করেন, আপনার বাড়তি পাওনা হলো, “দু’খানা বই নিকেচেতো”।
"মেয়ে মানুষ" বাজার আনা থেকে শুরু করে রান্না করা, পরিবেশন করা, কাপড় কাঁচা থেকে বিল দেয়া সবই করবেন। সবার সুখ-দুঃখ,ভাল-মন্দ বিবেচনা করে পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে সাংসারিক ব্যাপারে নিজের মতামত দিতে যাবেন, তখন শুনবেন, “দুই পয়সার একটা চাকরি করে তো”।
আপনার দ্বারা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলো কিংবা না হলো, সেটা ব্যাপার না, দিনের শেষে, সকল শেয়ালের মাঝে কোন বিলাই থাকতে পারবে না, বিলাই হওয়াই দোষের।
Subscribe to:
Posts (Atom)